গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসির সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৫ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৫ লাখ ৫১ হাজার ৭৬৩। এর ৩৫ দশমিক ৩২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ৯৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫২ দশমিক ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।